👉 র্যাপিড পাস কার্ডের প্রাথমিক মূল্য ৪০০/- টাকা। যার মধ্যে ২০০/- টাকা কার্ডের জামানত এবং ২০০/- টাকা ব্যবহারযোগ্য ব্যালেন্স
👉 কার্ড সংগ্রহের পর গ্রাহককে নিজ দায়িত্বে ওয়েবসাইট/মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কার্ডটি নিবন্ধন করে নিতে হবে। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫টি সক্রিয় কার্ড নিবন্ধন করতে পারবেন।
👉 মেট্রোরেলে কার্ড ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই কার্ডে ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকতে হবে। স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় কার্ডে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকালে অবশ্যই স্টেশনের বহিরগমণ পথের পাশে থাকা সেবাকেন্দ্র থেকে কার্ডটি রিচার্জ করে নিতে হবে।
👉 বাসে ব্যবহারের সময় কার্ডে অপার্যপ্ত ব্যালান্স থাকলেও কার্ড ব্যবহারকারী একবার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া কার্ডে নেগেটিভ ব্যালেন্স হিসেবে দেখাবে। পরবর্তী ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই কার্ডটি রিচার্জ করে নিতে হবে, তখন অবশিষ্ট ভাড়ার পরিমাণ টাকা সয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় হয়ে যাবে।
👉 প্রতিবার স্টেশন বা বাসে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কার্ড ট্যাপের সময় অবশ্যই আপডেট ব্যালেন্স দেখে নিতে হবে।
👉 কার্ড হারিয়ে গেলে দ্রুত হেল্পলাইনে রিপোর্ট করুন যাতে অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করা যায়। র্যাপিড পাস কার্ডের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, এটি কার্ডের লাইফটাইম বা টেকনিক্যালি সচল থাকা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
র্যাপিড পাস কার্ড নিবন্ধন ও রি-ইস্যুর নির্দেশনাবলী
১। অনলাইনে কার্ড নিবন্ধনের আবেদন করা হলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবস লাগতে পারে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে রিফান্ড এবং রি-ইস্যু সংক্রান্ত কোন দাবী গ্রহণ করা হবে না। র্যাপিড পাস কার্ড নিবন্ধন বাঞ্ছনীয় নয় তবে একমাত্র নিবন্ধিত কার্ড ব্যবহারকারীগণ নিন্মলিখিত সুবিধা ভোগ করবেন:
২। নিবন্ধিত কার্ডের সুবিধাসমূহ ও রি-ইস্যু প্রক্রিয়া:
ক) রিফান্ড : যদি কোন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী সচল ও ব্যবহারযোগ্য র্যাপিড পাস কার্ড ফেরত দিতে মনঃস্থির করেন, সেক্ষেত্রে অপারেটর কার্ডের মালিকানা যাচাই সাপেক্ষে রিফান্ড ফি বাবদ ২০/- টাকা কেটে নিয়ে একই দিনে কার্ডের মূল্য (জমা ও রিচার্জ) ফেরত দিবেন। একই ব্যাক্তি বার বার রিফান্ড করলে তার ব্যবহারকারী একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
খ) ‘অকেজো/ব্যবহার অযোগ্য’ কার্ড পুন প্রদান: ব্যবহারকারী ক্ষতিগ্রস্থ কার্ড অপারেটরকে ফেরত দিয়ে পুনঃ প্রদান ফি বাবদ ২০০/- টাকা প্রদান সাপেক্ষে নতুন কার্ড নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অপারেটর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে নতুন প্রদানকৃত কার্ডে পূর্বের ব্যালেন্স স্থানান্তর করে দিবেন।
গ) হারানো কার্ড পুন প্রদান: ব্যবহারকারী নতুন কার্ডের জন্য ২০০/- টাকা জমা ফি এবং ২০০/- টাকা পুন প্রদান ফি প্রদান করবেন। অপারেটর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে নতুন প্রদানকৃত কার্ডে পূর্বের ব্যালেন্স স্থানান্তর করে দিবেন।
৩। রি-ইস্যু করার বিস্তারিত ধাপসমূহ:
ক) ব্যবহারকারী নিকটস্থ মেট্রোরেল স্টেশনের র্যাপিড পাস কাউন্টারে যোগাযোগ করে অথবা ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবে। অপারেটরকে প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন কার্ড নম্বর, ব্যবহারকারীর নাম, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি প্রদান করতে হবে।
খ) অপারেটর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে আবেদনটি সম্পন্ন করবে এবং ব্যবহারকারীকে স্মারক নম্বর সম্বলিত একটি ভাউচার প্রদান করবেন যা রি-ইস্যু প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সংরক্ষণ করতে হবে।
গ) ভাউচার পাওয়ার পরবর্তী কার্যদিবস থেকে ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত কাউন্টার থেকে নতুন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।